এইচএসসির ফল ঘিরে ‘দ্বিমুখী চাপ’, হিমশিম শিক্ষা বোর্ড

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
চলতি বছর দেশের আটটি শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে গত ৮ আগস্ট। রীতি অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। সেই হিসাবে আগামী ৮ অক্টোবরের মধ্যেই এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করার কথা। কিন্তু বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক...

চলতি বছর দেশের আটটি শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে গত ৮ আগস্ট। রীতি অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। সেই হিসাবে আগামী ৮ অক্টোবরের মধ্যেই এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করার কথা।

কিন্তু বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ও বোর্ডটির অধীন পাঁচ জেলায় মাদরাসার আলিম ও কারিগরির এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। স্থগিত পরীক্ষাগুলো নতুন সময়সূচিতে গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন এ রুটিনে চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে গত ৯ সেপ্টেম্বর। সেই হিসাব ধরলে পরীক্ষা শেষের ৬০ দিন পূর্ণ হয় ৯ নভেম্বর। অর্থাৎ, ৯ নভেম্বরের মধ্যে এইচএসসির ফল প্রকাশের কথা।

শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা বলছেন, চট্টগ্রাম বোর্ডে দেরিতে পরীক্ষা শেষ হলেও দ্রুত ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষা শেষের ৬০ দিন ধরে ৮ অক্টোবর কিংবা ৯ নভেম্বর নয়; এর মাঝামাঝি সময়ে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হতে পারে। সে লক্ষ্যে কাজ চলমান।

এদিকে, এইচএসসির ফল দ্রুত প্রকাশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দিক থেকেও বোর্ডের ওপর চাপ রয়েছে। এরই মধ্যে ঢাকাসহ বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। এতে চাপে পড়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সার্বিক দিক মিলিয়ে অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে ফল প্রকাশের লক্ষ্য ঠিক করে প্রস্তুতি নিচ্ছে বোর্ডগুলো।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তুতি কতদূর

ঢাকা ও রাজশাহী বোর্ডের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এইচএসসির অধিকাংশ বিষয়ের খাতা মূল্যায়ন শেষে পরীক্ষকরা তা বোর্ডে ফেরত পাঠিয়েছেন। কিছু খাতা এখনো বোর্ডে আসেনি। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সব খাতা মূল্যায়ন শেষে বোর্ডে জমা পড়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি সফটওয়্যারে নম্বর ইনপুট দেওয়ার কাজ চলমান। এরপর টেবুলেশন শিট তৈরি করা হবে।

সাধারণ একজন পরীক্ষক ৩০০ থেকে ৫০০ খাতা পেয়েছেন। তাদের মূল্যায়নের জন্য আগে ১৫ দিন সময় দেওয়া হতো। এখন ২০ দিন সময় দেওয়া হয়। সেই হিসাবে অধিকাংশ বিষয়ের খাতা মূল্যায়ন শেষে বোর্ডে চলে এসেছে। এখন ফল তৈরির কাজ চলমান।- ফল তৈরির কাজে যুক্ত এক কর্মকর্তা

বোর্ড সূত্র জানায়, গত ২ জুলাই সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এতে অংশ নেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষে গত ৯ জুলাই প্রথম কিস্তিতে ২, ৪, ৬ ও ৮ জুলাই নেওয়া পরীক্ষার খাতা বোর্ডগুলোতে জমা পড়ে। আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে সেগুলো পরীক্ষকদের কাছে বিতরণ করা হয়েছিল। তারা মূল্যায়ন করে আগস্টের শুরুতে বেশিরভাগ জমা দিয়েছেন।

শিক্ষা বোর্ড থেকে খাতা নিচ্ছেন/ছবি: জাগো নিউজ

১৭ জুলাই দ্বিতীয় কিস্তিতে ১১, ১৩, ১৫ ও ১৬ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষার খাতা; ২৪ তৃতীয় দ্বিতীয় কিস্তিতে ১৮, ১৯, ২২ ও ২৩ জুলাইয়ের খাতা; ৩১ জুলাই চতুর্থ কিস্তিতে ২৫, ২৭, ২৯ ও ৩০ জুলাইয়ের খাতা; ৯ আগস্ট পঞ্চম কিস্তিতে ১, ২, ৪, ৬ ও ৮ আগস্টের খাতা বোর্ডে পাঠানো হয়েছিল।

খাতাগুলো পরবর্তীতে পরীক্ষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়। সবশেষ ১৪ ও ১৫ আগস্ট ঢাকাসহ সাধারণ আটটি (চট্টগ্রাম বাদে) বোর্ড থেকে পরীক্ষকদের খাতা দেওয়া হয়। সেই হিসাবে সবশেষ বিতরণ করা খাতাও মূল্যায়ন শেষ হওয়ার কথা। বিশেষ কারণে দু-চারজন পরীক্ষক ছাড়া বাকিরা বোর্ডে খাতা পাঠিয়ে দিয়েছেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার ফল তৈরির কাজে যুক্ত এমন একজন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, ‘সাধারণ একজন পরীক্ষক ৩০০ থেকে ৫০০ খাতা পেয়েছেন। তাদের মূল্যায়নের জন্য আগে ১৫ দিন সময় দেওয়া হতো। এখন ২০ দিন সময় দেওয়া হয়। সেই হিসাবে অধিকাংশ বিষয়ের খাতা মূল্যায়ন শেষে বোর্ডে চলে এসেছে। এখন ফল তৈরির কাজ চলমান।’

চট্টগ্রাম-মাদরাসা-কারিগরি বোর্ডে দেরি

চট্টগ্রাম বোর্ডে বন্যায় স্থগিত পরীক্ষাগুলো শেষ করতে দেরি হয়েছে। এতে তাদের খাতা মূল্যায়ন শেষ করতেও বিলম্ব হচ্ছে। ফলে ফল প্রকাশেও দেরি হতে পারে।

চট্টগ্রাম বোর্ডের দুজন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে জানান, ২০ আগস্ট থেকে স্থগিত পরীক্ষা শুরু করা হয়। এ পরীক্ষা শেষ হয়েছে ৯ সেপ্টেম্বর। শেষদিকের পরীক্ষাগুলোর খাতা এখনো বোর্ডেও আসেনি। বোর্ডে এলে তা নিয়ম মেনে আবার পরীক্ষকদের দিতে হবে।

সেক্ষেত্রে মূল্যায়নে ১৫ দিন সময় দিলেও অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগবে। ফল তৈরিতে আরও ১০ দিন সময় ধরলে অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহের আগে চট্টগ্রাম বোর্ডের ফল প্রকাশ সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বোর্ডটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় আমরা দ্রুত ফল তৈরির কাজ করছি। স্থগিত পরীক্ষাগুলো শেষ করতে দেরি হওয়ায় আমাদের শিক্ষা বোর্ডে সব খাতা এখনো মূল্যায়ন শেষ হয়নি। তবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরীক্ষকরা কাজ করছেন। আশা করি, প্রত্যাশিত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশে আমরা সহযোগিতা দিতে পারবো।’

সাধারণ একজন পরীক্ষক ৩০০ থেকে ৫০০ খাতা পেয়েছেন/ছবি: জাগো নিউজ

একই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা। চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় বোর্ড দুটির পরীক্ষাও বন্যার কারণে স্থগিত হয়েছিল। সংশোধিত সময়সূচিতে ২০ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আলিম ও কারিগরির এইচএসসি পরীক্ষা হয়েছে। ফলে ওই পাঁচ জেলার পরীক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়ন শেষ হয়নি।

ভর্তি পরীক্ষা নিতে বোর্ডের দিকে তাকিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ও ঢাকার মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিও (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ জানিয়েছে। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে পরীক্ষা নিতে চায়। পাশাপাশি মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষাও ৪ ডিসেম্বর নেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

ঘোষণা অনুযায়ী- মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে ৪ ডিসেম্বর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বছরের ৫ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) ১৭ ডিসেম্বর, এমআইএসটিতে ১৮ ডিসেম্বর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ জানুয়ারি, জগন্নাথে ১ জানুয়ারি, চট্টগ্রামে ২৯ জানুয়ারি, কুয়েটে ৮ জানুয়ারি।

৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের একটি রীতি আছে। সেটি মানলে যে ৮টি বোর্ডে আগে পরীক্ষা শেষ হয়েছে, সেখানে ৮ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা। আবার চট্টগ্রামে যে বন্যার কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে গেল, সেটার হিসাব ধরলে ৯ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা।- অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান, চেয়ারম্যান, ঢাকা বোর্ড

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ না হলে তারা ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারছেন না। ফল প্রকাশের পর ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও আবেদনগ্রহণ, প্রবেশপত্র দেওয়াসহ সার্বিক কার্যক্রমে অন্তত এক মাস সময় প্রয়োজন। পাশাপাশি এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণেও ২০ দিন থেকে প্রায় এক মাস সময় প্রয়োজন পড়বে। এ কারণে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ফল প্রকাশের জোর দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মকর্তারা।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘এইচএসসির ফল প্রকাশের আগে তো ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ সম্ভব নয়। ফল প্রকাশ হলে ভর্তি বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হবে। এরপর ফল পুনর্নিরীক্ষণ থাকে। তারপর আবেদনসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজে প্রায় একমাস সময় লাগবে। তারপর ভর্তি পরীক্ষা নিতে হবে। সেই হিসাব কষে আমরা এগোচ্ছি।’

খাতা মূল্যায়ন করে আগস্টের শুরুতে বেশিরভাগ জমা দিয়েছেন পরীক্ষকরা/ছবি: জাগো নিউজ

তিনি বলেন, ‘যদি অক্টোবরের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হয়, তাহলে ৪ ডিসেম্বর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা হতে পারে। আর ফল প্রকাশ পিছিয়ে গেলে আমাদেরও বাধ্য হয়েই মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা আরও পেছাতে হবে। সেক্ষেত্রে বুয়েট ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ঘোষিত তারিখগুলোও বিবেচনায় নিতে হবে। জটিলতাও তৈরি হতে পারে।’

বুয়েট ভর্তি কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান জাগো নিউজকে বলেন, ‘বুয়েটের ভর্তিপ্রক্রিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট জিপিএর শর্ত পূরণ করে শিক্ষার্থীরা আবেদনের সুযোগ পায়। আমরা বোর্ড থেকে ফলাফল সংগ্রহ করি। তার ভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা হয়। এইচএসসির ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসার সুযোগও নেই। আমরা এইচএসসির ফলের অপেক্ষায় রয়েছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘এইচএসসির ফল প্রকাশের দিকে আমরাও চেয়ে আছি। তাদের ফল প্রকাশ এবং পুনর্নিরীক্ষণ শেষ না হলে তো আবেদনগ্রহণ করা সম্ভব নয়। আমরা ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হলে দ্রুত প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবো।’

দ্রুত ও ত্রুটিমুক্ত ফল প্রকাশে প্রস্তুতি নিচ্ছে বোর্ড

একদিকে দ্রুত ফল প্রকাশের চাপ। অন্যদিকে এসএসসির ফলাফল নিয়ে সৃষ্ট সমালোচনা মাথায় রেখে এইচএসসিতে ত্রুটিমুক্ত ফল তৈরির কাজ করতে হচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলোকে।

দ্বিমুখী এ চাপ নিয়ে যৌক্তিক সময়ে ফল প্রকাশে শিক্ষা বোর্ড কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘দ্রুত ফল প্রকাশ করা যেমন দরকার, তেমনি ত্রুটিমুক্ত ফলও সবার প্রত্যাশা। দুটি দিক মাথায় রেখে আমরা কাজ করছি।’

অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের একটি রীতি আছে। সেটি মানলে যে ৮টি বোর্ডে আগে পরীক্ষা শেষ হয়েছে, সেখানে ৮ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা। আবার চট্টগ্রামে যে বন্যার কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে গেল, সেটার হিসাব ধরলে ৯ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা।’

‘আমরা তো আর দুই ধাপে ফল প্রকাশ করবো না। সব বোর্ড মিলিয়ে এক সঙ্গেই এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। সেক্ষেত্রে অক্টোবরের শেষদিক অথবা নভেম্বরের শুরুতে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দিক-নির্দেশনায় আমরা কাজ করছি।’ যোগ করেন বোর্ড চেয়ারম্যান।

এএএইচ/ইএ

Original Source
https://www.jagonews24.com/education/news/1157986
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in Health