মাগুরা টেক্সটাইল মিল চালুতে চরকা টেক্সটাইলের সঙ্গে চুক্তি অনুমোদন

Direct Source Verification: This story is aggregated from Jago News 24 (jagonews24.com). Full reporting rights and copyright belong to the primary publisher.
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন মাগুরা টেক্সটাইল মিল সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) পদ্ধতিতে পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে বেসরকারি অংশীদার নির্বাচনের চুক্তির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবা...

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন মাগুরা টেক্সটাইল মিল সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) পদ্ধতিতে পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে বেসরকারি অংশীদার নির্বাচনের চুক্তির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, মাগুরা টেক্সটাইল মিলটি পিপিপি পদ্ধতিতে চালুর জন্য নির্বাচিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চরকা টেক্সটাইল লিমিটেডের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি সম্পাদন করা হবে। চরকা প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।

জানা গেছে, বিটিএমসির ২৫টি মিলের মধ্যে ১৬টি মিল পিপিপি পদ্ধতিতে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে চারটি মিল পিপিপি পদ্ধতিতে বেসরকারি অংশীদারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মাগুরা টেক্সটাইল মিলটি ১৬ দশমিক ০৬ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত মিলটি বাণিজ্যিকভাবে চালু ছিল। পরে এটি পুনরায় পিপিপি পদ্ধতিতে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

মিলটি চালুর জন্য চর্কা টেক্সটাইল লিমিটেডকে পছন্দের দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সম্পাদিতব্য চূড়ান্ত চুক্তির নীতিগত অনুমোদনের প্রস্তাব এর আগে ১১ মার্চ অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল।

ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল, বাংলাদেশ সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারত্ব আইন, ২০১৫’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের পর এ ধরনের প্রস্তাব পুনরায় সভায় উপস্থাপন করতে হবে। পরবর্তীতে ১৬ জুলাই ২০২৬ ওই আইন রহিত করে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর গেজেট প্রকাশিত হয়। নতুন আইনের ৩১ ধারার আওতায় মাগুরা টেক্সটাইল মিলটি পিপিপি পদ্ধতিতে চালুর প্রস্তাবটি আবার উপস্থাপন করা হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, মাগুরা টেক্সটাইল মিল পরিচালনার মেয়াদ হবে ৩০ বছর। এ প্রকল্পে জমি ছাড়া সরকারের কোনো বিনিয়োগ থাকবে না। পুরো বিনিয়োগ করবে বেসরকারি অংশীদার।

চুক্তির আওতায় বেসরকারি অংশীদার মিলটির ভূমি ব্যবহারের বিপরীতে এককালীন সাইনিং মানি হিসেবে বিটিএমসিকে ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা দেবে। এছাড়া তিন বছরের গ্রেস পিরিয়ড শেষে প্রতি বছর কন্ট্রাক্ট ফি হিসেবে বিটিএমসিকে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা প্রদান করবে।

পাশাপাশি ডেভেলপমেন্ট ফি হিসেবে পিপিপি কর্তৃপক্ষকে ৫০ লাখ টাকা এবং ব্যাংক গ্যারান্টি হিসেবে বিটিএমসিকে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা প্রদান করবে বেসরকারি অংশীদার।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, পিপিপি পদ্ধতিতে মাগুরা টেক্সটাইল মিল পুনরায় চালু হলে সেখানে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর গ্রিন ফ্যাক্টরি স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে উৎপাদনশীলতা বাড়ার ফলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এমএএস/এমকেআর

Original Source
https://www.jagonews24.com/economy/news/1157950
Visit Jago News 24 ↗
SHARE STORY:
𝕏 f in

Related Coverage in Economy